“The rationality of the ruled is always the weapon of the rulers.” Zygmunt Bauman, Modernity and the Holocaustজিগমুন্ট ব‘ম্যান (১৯ নভেম্বর ১৯২৫- ৯ জানুয়ারী ২০১৭) একজন পোলিশ সমাজবিজ্ঞানী এবং দার্শনিক। ১৯৬৮ সাথে পোলিশ ‘কমিউনিস্ট’ সরকারের রাজনৈতিক দমনের প্রেক্ষাপটে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। ১৯৭১ সাল থেকে তিনি ইংল্যান্ডে বসবাস করতেন। ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে প্রথমে অধ্যাপক এবং পরে ইমেরিটাস অধ্যাপক হন। দুনিয়ার অন্যতম গুরুত্ত্বপুর্ণ সমাজতাত্বিক ও দার্শনিক ব’ম্যানের কাজের এলাকা বিস্তৃতঃ আধুনিকতা, উত্তর আধুনিকতাবাদ, ভোগবাদ, তরল আধুনিকতা (liquid modernity)আধুনিকতা সম্পর্কে তাঁর মৌলিক ধারণাগত অবদান হলঃ আধুনিকতার পর্ব তরল আধুনিকতা হিসাবে বহমান। তরল বলতে হাল্কা নয়, গঠন এবং কার্যকারিতার ধরণ । এই ‘তারল্য’ ধারণা দিয়ে তিনি পুঁজিবাদ, রাষ্ট্র, নজরদারি ও শাসনব্যবস্থা, ভয় ও ভয়ের সংস্কৃতি, প্রেম-ভালোবাসা ইত্যাদির ব্যাখ্যা-পর্যালোচনা করেছেন। পুঁজিবাদ এবং ভোগবাদের কঠোর সমালোচক দার্শনিক নিজেকে ‘বামপন্থী’ হিসেবে পরিচয় দিতেন। ‘ম্যান বাংলাদেশে তেমন পরিচিত না হলেও, তাঁর কাজের গুরুত্বের কারনে তাঁর সাথে, তাঁর কাজের সাথে আমাদের আরো পরিচিতি বাড়াতে এবং তাঁর প্রাসঙ্গিক কাজ থেকে শিক্ষা নেবার চেষ্টায় এই মুক্ত আড্ডা- আলোচনা। এই আড্ডায় কোন নির্ধারিত আলোচক ছিলেন না। আগ্রহীরা নিজেরা ব‘ম্যানের কাজ সম্পর্কে জানিয়েছেন, ব’ম্যানের কাজ নিয়ে তাঁদের বুঝ-বোঝাপড়া শেয়ার করেছেন সবার সাথে।