বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র

সিবিএস সম্পর্কেঃ

বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র ট্রাষ্ট আইনে নিবন্ধিত, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী গবেষণা প্রতিষ্ঠান । বাংলাদেশের সমাজ- অর্থনীতি- প্রতিবেশ -রাজনীতি- ইতিহাস- সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়ে নীতিনির্ধারণী গবেষণা , সামাজিক সংলাপ, প্রকাশনা, সামাজিক শিক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে এমন একটা বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে চলেছি, যে বাংলাদেশের সমাজ- রাষ্ট্র হবে গভীরভাবে গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক এবং ন্যায় বিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত।

কেন্দ্রের কার্যক্রমঃ

গবেষণা ও সংলাপ; পাঠচক্র/সামাজিক শিক্ষা; নথিকরণ ও বহুশাস্ত্রীয় প্রদর্শনী ; গ্রন্থ ও গবেষণাগার; তথ্যচিত্র নির্মান ; বক্তৃতা সিরিজ ; আলোচনা/সেমিনার; সাময়িক পত্র/জার্নাল প্রকাশনা; বই/পুস্তক/ পুস্তিকা প্রকাশনা ইত্যাদি।

বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্র’র তহবিল যোগান নীতি:

আমাদের সমর্থনের প্রধান উৎস হিসেবে সমাজকে নিতে চাই। আমরা নির্ভর করতে চাই সমাজের সংবেদনশীল মানুষের উপর। আমরা সমমনা উদ্যোগ এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে একযোগে কাজ করব, পরস্পর সহযোগিতা করব। এতে করে আমরা মেরুদন্ড সোজা করে, মাথা উঁচু করে, নিজেদের পায়ে চলতে পারব। মানুষের পক্ষে কথা বলতে পারব। বাংলাদেশ অধ্যয়ন কেন্দ্রের তহবিলের উৎস: (১) শুভার্থী অনুদান, (২) ক্ষেত্র বিশেষে গবেষণা ও প্রকাশনা বাবদ প্রাপ্ত তহবিল, (৩) নীতি-আদর্শএবং কৌশলগত সমস্যা না থাকলে ক্ষেত্র বিশেষে সমমনা সংগঠন/প্রতিষ্ঠানের দান-অনুদান, (৪) বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল। কেন্দ্রে কি ভাবে দান করবেন: অনুদান মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণমাসিক এবং বাৎসরিক ভিত্তিতে দেয়া যাবে। টাকাব্যতীত অন্য অনুদান আলোচনা সাপেক্ষে প্রদেয়। বিশেষ দান/অনুদান( যেমন স্মারক বৃত্তি, স্মারকবক্তৃতা ইত্যাদির জন্যে) আলোচনা সাপেক্ষে প্রদেয় । শুভার্থীরা যা যা পাবেন: (১) কেন্দ্রের কার্যক্রম ও কর্মসূচি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য, (২) কেন্দ্রের নিয়মিত প্রকাশনার কপি, (৩) কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বই/ পুস্তক/ পুস্তিকা,(৪) কেন্দ্রের উন্মুক্ত সভা, সেমিনার, বৈঠকে আমন্ত্রণ, (৫) তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন, (৬) কেন্দ্রের অডিট ও বার্ষিক প্রতিবেদন, (৭) কেন্দ্র সচল/সক্রিয় রাখার আনন্দ। আপনার কোন ধরনের দান- অনুদান-সহযোগিতা আমরা সানন্দে গ্রহণ করব। আপনি-আমি-আমরা মিলেই গড়তে পারি নতুন সমাজ, আমাদের বাংলাদেশ, আমাদের ভবিষ্যৎ !